শিক্ষায় বৈষম্য দূর করবে ডিজিটাল কনটেন্ট

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল কনটেন্ট শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শিক্ষায় বৈষম্য দূর করে দিয়েছে। এর বিশেষ দিক হলো, এটি শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক সকলে ব্যবহার করতে পারবেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিসিসি অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ‘ইন্টারঅ্যাক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল কন্টেন্টসমূহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কার্যকর ব্যবহারে করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত শিক্ষা নিয়ে ২২ লাক ৫০ হাজারের বেশি কন্টেন্ট ডাউনলোড করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এসব কনটেন্ট নিয়মিত আপডেট ও পরিমার্জন করা। ইতোমধ্যে ১৩ হাজার স্কুলে ডিভাইস দেওয়া হয়েছে। আট হাজার স্কুলে ডিজিটাল ক্লাসরুম করা হয়েছে। যার মধ্যে ১০০ ক্লাসরুম তৈরি করেছে ব্র্যাক। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়ন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রাথমিক শিক্ষা কনটেন্ট ইন্টারঅ্যাক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সনে রূপান্তর’ কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ের ২১টি বইয়ের কনটেন্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।

কনটেন্ট প্রস্তুতে বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী-প্রধান শিক্ষক, পিটিআই ইন্সট্রাক্টর, এনসিটিবি ও এনএপিই বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ, কালার ও অ্যানিমেশন বিশেষজ্ঞ সরাসরি অংশগ্রহণে এনসিটিবি’র কারিকুলাম অনুসরণ করা হয়।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, এনডিসি এবং এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র সাহা, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি হোসনে আরা বেগমসহ আরও অনেকেই।

প্রযুক্তিকথন/ডেস্ক/

Related posts

Leave a Comment