পীরগঞ্জ উপজেলায় ওয়াইফাই জোন

তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে ইন্টারনেটের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ইন্টারনেট ব্যবহারকে সহজ করে দিতে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ওয়াইফাই জোন করা হবে।  ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে মানুষ যত সচেতন হবে, তত আমরা সমৃদ্ধশালী জাতি হবো।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের যৌথ আয়োজনে আজ দিনব্যাপী রংপুরের পীরগঞ্জের উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচেতনতা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন পীরগঞ্জ উপজেলার মেয়র অ্যাডভোকেট আবু সালেহ মো. তাজিমুল ইসলাম শামীম।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির এই ধরণের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ডিজিটাল বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সচেতনতা শিক্ষার্থীদের উন্নত বিশ্বের সঙ্গে হালনাগাদ থাকতে সহায়তা করবে। পরিবর্তনশীল তথ্য প্রযুক্তির যুগে প্রযুক্তির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সাধারণ জীবনকে গতিশীল করবে।
কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার কমল কুমার ঘোষ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোনায়েম সরকার মানু, সরকারি শাহ আব্দুর রউফ কলেজের অধ্যাপক (অব.) নুরুল আমীন রাজা এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের প্রতিনিধি ফয়সাল খান।
বিসিএস পরিচালক এ.টি. শফিক উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও আইটি লেখক মাহবুবুর রহমান।  কর্মসূচি সমন্বয় করেন বিসিএস এর পরিচালক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান।
সভাপতির বক্তব্যে বিসিএস পরিচালক এ.টি শফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে সারাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের শীর্ষ প্রযুক্তি সংগঠন বিসিএস তথ্যপ্রযুক্তির আলো প্রতিটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে দৃঢ় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পীরগঞ্জেও পৌঁছে গেছে এ আলো।  তথ্যপ্রযুক্তিতে পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিতে এখনকার শিক্ষার্থীরাই হবে অগ্রপথিক।
কর্মসূচী সমন্বয়কারী বিসিএস এর পরিচালক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন,  বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব স্বকীয়তা রয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির দিক থেকে আমরা সবাই অভিন্ন। প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে যদি তাল মিলিয়ে সামনে অগ্রসর হওয়া যায়, তাহলে সফলতা আমাদের অপেক্ষায় থাকবে। উন্নত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনকে আমাদের বন্ধু মনে করতে হবে।  প্রযুক্তির ইতিবাচক দিক সম্পর্কে সবাইকে সঠিক ধারণা দিতে হবে।
রংপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচেতনতা কর্মসূচিতে উপস্থিত চার শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার জনগণের মাঝে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণের ব্যবহারিক প্রয়োগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্রসহ নানাবিধ বিষয় উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
কর্মসূচিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ, আউটসোর্সিং, কম্পিউটারের নানাবিধ কলাকৌশল, মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন, ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আমাদের অগ্রযাত্রা শীর্ষক ভিজুয়াল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।  শুধু আলোচনাই নয়, ছিলো প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং কুইজও। প্রশ্ন দাতা এবং সঠিক উত্তর দাতাদের জন্য ছিলো আর্কষণীয় পুরষ্কার।
প্রযুক্তিকথন/ডেস্ক/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *