সবাই কেন ফেসবুকে চাকরি করে চায়!

মানুষ স্বভাবিকভাবেই খুব ভালো জায়গায় কাজ করতে চায়। নামকরা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সেখানে কর্মীবান্ধব পরিবেশও চায় তারা। তবে সব প্রতিষ্ঠান কর্মীদের চাহিদামতো সুবিধা দিতে পারে না। এজন্য মালিক ও কর্মজীবীদের মধ্যে প্রায়ই নীরব যুদ্ধ চলে।
এসবের বাইরে সারা বিশ্বে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা কর্মীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিয়ে থাকে। তেমনই একটি প্রতিষ্ঠান হলো ফেসবুক। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কর্মীরা মুক্তভাবে কাজ করতে পারেন।

অন্য অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মতো এখানকার কর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হয় না। ফলে কর্মীরাও খুশিমনে এখানে সর্বোচ্চ শ্রমই দিয়ে থাকেন বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। ফেসবুক তাদের কর্মীদের অসংখ্য সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে কয়েকটি হলো-

১. ফেসবুকের হেড অফিসে যারা কাজ করেন তাদের সবার জন্য ড্রাই ক্লিনিং সেবা দিয়ে থাকে ফেসবুক। ফলে পোশাক পরিষ্কারের জন্য বাড়তি সময় ব্যয় করতে হয় না তাদের।
২. ফেসবুক অফিসের ভেতরেই রয়েছে কর্মীদের চিকিৎসা নেওয়ার ব্যবস্থা। এছাড়া এখানে আলাদা ডেন্টাল ইউনিট রয়েছে।
৩. এখানে রয়েছে জেন্টস এবং লেডিস পার্লার। প্রয়োজনে কর্মীরা যে কেউ এখানে এসে নিজেদের একটু গুছিয়ে নেন।
৪. দিনের প্রধান খাবারগুলো বিনামূল্যে সরবরাহ করে ফেসবুক। এছাড়া সারাদিনের জন্য বিনামূল্যে নাস্তা সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি।
৫. সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্য ৪ হাজার ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা দেয় ফেসবুক। এর পাশাপাশি আরও কিছু বিষয়ের জন্য অর্থ প্রদান করে তারা।
৬. হেড অফিসের কর্মজীবীদের জন্য রয়েছে ভিডিও গেমসের ব্যবস্থা। কাজ করতে করতে বিরক্তি এসে গেলে মনকে সতেজ করার জন্য ভিডিও গেম খেলতে পারেন কর্মীরা।

৭. ফেসবুকে যারা স্থায়ীভাবে কাজ করেন তাদের জন্য বিশেষ এক অফার চালু আছে। স্থায়ী কর্মীরা অবকাশ যাপনের জন্য ফেসবুক থেকে ২১ দিনের ছুটি পান। আর এই ২১ দিনের সব খরচ বহন করে ফেসবুক।

৮. ফেসবুকের অফিসে রয়েছে জিম সেন্টার। কর্মীরা এখানে এসে বিনামূল্যে শরীরচর্চা করতে পারেন।

৯. ফেসবুকের হেড অফিসে রয়েছে বাইক রিপেয়ারিং শপ। এখান থেকে কর্মীরা বিনামূল্যে তাদের বাইকের সমস্যা সারিয়ে নিতে পারেন।

সূত্র: গেজেটস নাউ

Related posts

Leave a Comment